শুক্রাণু সম্পর্কিত কিছু বিস্ময়কর তথ্য

0 36

শুক্রাণু শব্দটি মোটামুটি পরিচিত একটি শব্দ। তবে শুক্রাণুসম্পর্কিত এমন কিছু মজার তথ্য আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। চলুন জেনে নিই শুক্রাণুসম্পর্কিত কয়েকটি অজানা তথ্য।

পুরুষ দেহের ভেতর শুক্রাণু কতদিন বেঁচে থাকতে পারে?

পুরুষের শরীরে প্রায় ৭৪ দিন পর্যন্ত শুক্রাণু বেঁচে থাকতে পারে। যদি এই ৭৪ দিনের ভেতর শুক্রাণু দেহ থেকে নির্গত না হয় তাহলে সেটা আবার শরীর কতৃক শোষিত হয়। গড়ে একজন পুরুষ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০০০ শুক্রাণু কোষের জন্ম দেয়।

তাপমাত্রার সাথে ওঠানামা করে শুক্রাণুর সংখ্যা

তাপমাত্রা শুক্রাণুর সংখ্যা হ্রাস করতে পারে! গ্রীষ্মকালে পুরুষের শুক্রাণুর পরিমাণ কম থাকে এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। এ ছাড়া অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় কয়েক ডিগ্রি কম থাকে।

নির্গত শুক্রাণুর ৯০% ই বিকলাঙ্গ!

সমস্ত শুক্রাণুর আকার সমান হয় না। কোনো কোনো শুক্রাণু এমনও হয়, যে গুলির মাথা, ঘাড় অথবা পা থাকে না। আবার এমন অনেক শুক্রাণুও থাকে যাদের দুটি মাথা, দুটি পা নিয়ে জন্মায়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ব্যাপার এবং এর কারণে পুরুষের ফার্টিলিটিও কমে না।

প্রতিটি বীর্যপাতে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু থাকে

অবাক করা হলেও এটাই সত্য। একটি ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য যেখানে একটি শুক্রাণুই যথেষ্ট সেখানে একজন পুরুষ প্রতিবার বীর্যপাতের মাধ্যমে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু কোষ নির্গত করে থাকে।

খালি চোখে দেখা যায়?

একটি শুক্রাণুর আকার গড়ে ০.০৫ মিলিমিটার হয়ে থাকে। যা খালি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু ডিম্বাণু আকারে শুক্রাণুর চেয়ে ৩০ গুণ বড় এবং খালি চোখে দেখা যায়।

 

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.