শচীন-দ্রাবিড়ও বল টেম্পারিংয়ে জড়িয়েছিলেন

0 76

বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা বল বিকৃতি। মূলত অতিরিক্ত সুইং ও টার্ন পাওয়ার জন্য ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন বলের কোন জায়গায় চুইনগাম কিংবা টেপের ব্যবহার করে অথবা কোন শক্ত জিনিস দিয়ে ঘষে বলের স্বাভাবিক উপরিভাগকে অমশ্রিন করে দেওয়ার নামই হল বিকৃতি (বল টেম্পারিং)।

বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় চলমান টেস্ট সিরিজে এ নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফ্টের বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ আনলেন আম্পায়াররা। দিনের শেষে সাংবাদিক বৈঠকে সেই অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন ব্যানক্রফ্ট এবং অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। শুধু স্বীকার করে নেওয়াই নয়, স্মিথ আরও বলেছেন, এভাবে বল বিকৃতি করার পরিকল্পনার পিছনে তিনি এবং দলের কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের হাত আছে। এর ফলে শাস্তির মুখে ব্যানক্রফ্ট। পরের টেস্টে নির্বাসিত হতে পারেন তিনি।

তবে বাইশ গজে বল বিকৃতির ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা বল বিকৃতির সঙ্গে জড়িয়ে শাস্তি ভোগ করেছেন। এমনকি সেই তালিকায় রয়েছে রাহুল দ্রাবিড় ও শচীন টেন্ডুলকার নামও।

২০০১ সালে বল বিকৃতি বিতর্কে নাম জড়ায় টেন্ডুলকার। দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথে ভারত বনাম প্রোটিয়া ম্যাচে টিভি ক্যামেরায় দেখা যায় সচিন বলের উপর কি যেন একটা খুঁটছেন। ম্যাচ রেফারি মাইক ডেনিস মাস্টর ব্লাস্টারকে এক ম্যাচ নির্বাসন করলেও পরে দেখা যায় শচিন বলের উপর লেগে থাকা ঘাস সরাচ্ছিলেন। পরে সমস্ত রকম অভিযোগ থেকে তাকে মুক্তি দেয় আইসিসি।

২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়েতে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে বল বিকৃতির বিতর্কে জড়ান রাহুল দ্রাবিড়। তার হাফ ম্যাচ ফি কেটে নেওয়া হয়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.