বিদেশি মিডিয়ায় সালমান-মান্নার প্রশংসায় শাকিব

0 ১৮

ঢাকাই সুপারস্টার তকমা তার গায়ে বহু আগেই লেগেছে। চলচ্চিত্রের এই ভীষণ ক্ষরায় ধারাবাহিক হিট পাচ্ছেন, পারিশ্রমিকও নিচ্ছেন আকাশচুম্বী। আপন প্রবাহে চলা এই নায়ক এক কাঁধে টানছেন ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবেশী দেশেও নাম কামাচ্ছেন একই সাথে। কিন্তু এমন মহাতারকা হয়েও দম্ভ তাকে ছুঁতে পারেনি।

নিজের এমন শীর্ষ খ্যাতির সময়েও প্রতি পদে সম্মান দেখাচ্ছেন, গর্ব করছেন এই ইন্ডাস্ট্রির সাবেক স্টারদের নিয়ে। সম্প্রতি কলকাতার এক শীর্ষ পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে নিজের চেয়ে উঁচু আসনে রাখলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অমর সুপারস্টার সালমান শাহকে। শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলেননি প্রয়াত নায়ক মান্নাকেও।

শাকিবকে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের ফিল্ম তারকাদের তালিকা যদি বানানো হয়, তাহলে এক থেকে পাঁচ নম্বর পুরোটাই শাকিব খানের দখলে। এই সুপার-স্টারডমের রহস্যটা কী?

বিনয়ী শাকিব বলেন, খুব ভগ্নদশায় আমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিটাকে পেয়েছিলাম। আপনি যদি ২০০০ সাল অবধি বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিকে দেখেন, তখন আমাদের ওখানে টলিউডের চারগুণ বাজেটের ছবি তৈরি হতো। সেই সময় আমরা তখন দু’কোটি টাকায় ছবি বানাতাম। টলিউডে ছবির বাজেট তখন ৫০ লক্ষ। তখন আমাদের সুপারস্টার ছিলেন সালমান শাহ। শাহরুখ খানের সঙ্গেও তার ভাল আলাপ ছিল। তখন স্টারডম কাকে বলে, সেটা তাকে শিখতে হয়! তখনকার তারকাদের হাতে প্রায় ২০-২৫টা ছবি থাকব। আমাদের ছবি সুপারহিট হলে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যবসা করত। ভাবতে পারছেন!

আর এই উত্তরের ধারাবাহিকতায় অবধারিত ভাবে চলে আসে, তাহলে বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি পিছিয়ে পড়ল কীভাবে?

এই উত্তরে শাকিব খান বলেন, সালমান শাহ মারা গেলেন। আরও যারা স্টার ছিলেন, তারা অনেকে অভিনয় ছেড়ে গিলেন। আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে আসি, তখন আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা ক্রান্তিকাল চলছিল। তারপর কোথা থেকে একটা অশ্লীল পিরিয়ড চলে এসেছিল। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি তখন ফাঁকা মাঠ। কোনও ভাল তারকা নেই। সেই সুযোগে কিছু দুষ্টু লোক ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকে পড়েছিল। তারাই অশ্লীলতাগুলো করত! মান্না ভাই সেই সময় ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক ছিলেন। তার নেতৃত্বে ইন্ডাস্ট্রি ওই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.