এশিয়া কাপে ডাক পেল নতুন মুখ

0 7

অন্য যে কোনো টুর্নামেন্টের চেয়ে সবচেয়ে জমজমাট এশিয়া কাপ ক্রিকেটটা বড্ড বেশি সৌভাগ্যকর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য। ২০১২ ও ২০১৬ সালের আসরের ফাইনাল খেলেছিল টাইগাররা।

তাই এশিয়া কাপের আসন্ন আসরকে ঘিরেও রয়েছে তুমুল আগ্রহ ও ভালো করার আপ্রাণ চেষ্টা। ১৫ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবে ছয় দেশের আসর। শিরোপার মনচ্ছবি নিয়ে মিরপুরে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ক্যাম্প। এশিয়ার ক্রিকেট শ্রেষ্ঠত্বের নির্ণায়ক মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের অনেক তরুণেরই। বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট ক্রিকেট আসর হওয়াই বরাবরের মতো সিনিয়রদের উপরই চাপ থাকে ভাল কিছু করার।

মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে এবার এশিয়া কাপে খেলবে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে এশিয়া কাপের জন্য গতকাল ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। স্কোয়াড একরকম তৈরিই ছিল। অপেক্ষা ছিল কেবল হজ থেকে সাকিব আল হাসানের ফেরার।

গত বুধবার রাতে ফিরেছেন সাকিব। কথা বলে সিদ্ধান্ত হলো তার আঙুলের অস্ত্রোপচার আপাতত পিছিয়ে দেয়ার। এই অলরাউন্ডারকে রেখেই তাই ঘোষণা করা হয়েছে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের বাংলাদেশ দল। এশিয়া কাপের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে রয়েছেন তিন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন ও আবু হায়দার রনি।

তবে দল থেকে বাদ পড়েছেন টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার ও এনামুল হক বিজয়। ওপেনার হিসেবে দলে সুযোগ পেয়েছে লিটন কুমার এবং মোহাম্মদ মিঠুন। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা চাওয়াতেই দলে সুযোগ পেয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। আর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন অলরাউন্ডার আরিফুল হক।

এবার মিঠুনকে নেয়া হয়েছে সাব্বিরের পজিশন, ছয়-সাত নম্বরের বিবেচনায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ এ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফরে দারুণ কিছু ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন মিঠুন। আইরিশদের বিপক্ষে শেষ টি- টোয়েন্টিতে খেলেছিলেন ৩৯ বলে ৮০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। তার আগে আনঅফিসিয়াল ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে করেছিলেন ৫১ বলে ৮৭ ও ৭৩ বলে ৭৩। সাম্প্রতিক পারফর্মেন্সে অধিনায়কের মন জয় করেছেন এই মিঠুন। আর তার ওপর আস্থা রেখেই ডাকলেন এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টে। মিঠুন পারবেন তো অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিতে?

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.