পাকিস্তানিদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি, নতুন ভিসা অস্বীকার করার সম্ভাবনা

0 113
রওশন হক : ইসলামাবাদে আমেরিকা থেকে নাগরিক নাগরিকদের বিতাড়িত ও ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পর ও অতিরিক্ত মেয়াদে থেকে যাওয়া নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করার পর আমেরিকা পাকিস্তানকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । এখানের পাকিস্তান এম্বাসির মাধ্যমে সেদেশের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে যে এখান থেকে শুরু হওয়া বিষয় পাকিস্তানিদের ভিসা না দেয়ার বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ।
শুক্রবার স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, পাকিস্তানের কনস্যুলার অপারেশন কে আগেও তাদের দেশের ডিপোরট করা লোকদের ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল , কিন্ত তারা নিজ খরচে এসব নাগরিকদের ফিরিয়ে না নেয়ার সিদ্ধান্তে “অপরিবর্তিত” রয়েছে ।তবে ২২ শে এপ্রিলের ফেডারেল এর রেজিস্ট্রারড নোটিফিকেশন দেয়া হয় । চিটির মাধ্যমে উল্লিখিত বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা শুরু করেছে এতে পাকিস্তানিদের নতুন করে ভিসা দেয়াক পথ আটকে রাখতে পারে বলা হছচে ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনের অধীনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা দেশের সংখ্যা ১০ টি এবং এই তালিকায় যোগদান করা সর্বশেষ দেশ পাকিস্তান ।সকল দেশ কে অনুরোধ করা হয়েছে তাদের দেশের ডিপোর্টার এবং ভিসা ওভার স্টেয়ারদের ফিরিয়ে নেয়ার এবং যদি ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করলে তাদের
জন্য আমেরিকান ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হবে।
ট্রাম প্রশাসনের অধীনে এই ধরনের ভিসা নিষেধাজ্ঞার সাথে আটটি দেশের নাগরিক আটক করা হয়েছে।তাদের মধ্যে নতুন দুদেশ ঘানা এবং পাকিস্তান এই বছরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।২০০১ সালে গিয়ানা, ২০১৬ সালে গাম্বিয়া, কাম্বোডিয়া, ইরিত্রিয়া, গিনি এবং সিয়েরা লিওনে ২০১৭ সালে বার্মা এবং লাওস অন্যান্য দেশে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালটি অ্যাক্টের ধারা 243 (ডি) এর অধীনে বলা আছে এং রাষ্ট্রের সচিবকে আদেশ দেয়া হয়েছে যে,এদেশ থেকে আইনি ভাবে প্রত্যাখ্যান করা বা এদেশে বসবাসের গ্রহণযোগ্যতা হারানো যে সকল দেশের নাগরীক দের তাদের দেশে গ্রহণে বিলম্বিত হওয়ার কারণে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি থেকে নোটিশ প্রাপ্তির পর এ দেশে আটকে থাকা অভিবাসন বা অ অভিবাসী ভিসা প্রদান বন্ধ করা প্রয়োজন। কারন তারা সে সব জাতীয় নাগরিক এবং সে দেশের দেশের অধিবাসী।
যানা যায় পাকিস্তানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের থেকে রাজ্য বিভাগ কে নানা কর্ম চেষ্টা করেছে।ফেডারেল রিজার্ভেশন নোটিফিকেশন সম্পর্কে জানতে চাইলে একটি রাজ্য বিভাগের মুখপাত্র পিটিআইকে বলেন।যুক্তরাষ্ট্রের কনসুলার অপারেশন তাদের সিদ্ধান্তে এখন পর্যন্ত অপরিবর্তিত আছে ।তিনি আরো উল্লেখ করেন বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানি সরকারের মধ্যে চলমান আলোচনার দ্বিপক্ষীয় ইস্যু এবং আমরা এই সময়ে এখনো নির্দিষ্ট কিছু পেতে যাচ্ছি না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হোসেন হাক্কানি মনে করেন যে এটি পাকিস্তানের জন্য খুবই কঠিন কাজ করবে।তিনি বলেন এই পরিমাপে পাকিস্তানীদের জন্য কষ্ট সৃষ্টি করবে বিশেষ করে যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে চায় বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ যাদের বিশেষ প্রয়োজন তাদের জন্য বিপদ বয়ে আনবে ।এদেশ থেকে ডিপোরটার বা নির্বাসীতদের ফেরত নেয়ার ব্যপারে এদেশের আইনি প্রয়োজনীয়তাগুলির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের আমেরিকান অনুরোধ উপেক্ষা
করা টিক হবে না ।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত নাগরিকদের ফেরত নেয়ায় ইস্যু প্রত্যাখ্যান করার বিষয় টি অস্বীকার করা নতুন নয়।
“পাকিস্তানের কাছে এখান থেকে বহিষ্কৃত প্রত্যেক পাকিস্তানী নাগরিককে প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে পাকিস্তানের এই অবস্তান পুরোনো ।এখনের এটা মনে হয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর পাকিস্তানের এমন আচরণের বিস্তৃত করাকে আর উপেক্ষা করতে ইচ্ছুক নয়। মো হাক্কানি বলেন বোনাহোমি ইসলামাবাদের ধীর গতির বন্ধুত্ব পূর্ন নীতি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এখন আমেরিকাকে এমন নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর আদেশ দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে বাধ্য করা হয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.