নোবেলের আমেরিকা জয়

0 61

বাংলাদেশ ভারতের পর নোবেল আমেরিকা জয় করলেন।  বিশ্বের সকল দেশে বসবাসরত বাংলা ভাষা ভাষীদের মধ্যে নোবেল একটি সর্বাধিক পরিচিত নাম।বাংলাদেশ ও ভারতের সকল বাঙ্গালীদের মন জয় করেন সা রে গা মা পা রিয়েলিটি শো দিয়ে জয় করেন। এবার আমেরিকার সকল স্টেটে বসবাসকারী সকল বাঙ্গালীদের মন জয় করলেন লাইভ ইন কনসার্ট এ গান গেয়ে। গত ৩১ আগষ্ট কানেক্টিকাটের ম্যানচেষ্টার দিয়ে তার ইউএসএ যাত্রা শুরু।একে একে তিনি এরিজোনা, মিসিগান, ডালাস, হিউসটন, সান ফ্রান্সিসকো, সান ডিয়েগো, লস এন্জেল্স, কানসাস, নিউ জার্সি, ডিসি, মেরীল্যান্ড, নর্থ ক্যারোলিনা, শিকাগোসহ সমগ্র ইউএসএ জুড়ে তিনি প্রায় ২৫টি একক শো করেন।আমেরিকার সর্বত্রই এখন নোবেলের জয়জয়কার। সকলের মুখে নোবেল বন্দনা।

 নিউ ইয়র্কে প্রথম শো করেন ১৫ সেপ্টেম্বর। প্রথম কনসার্টের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর দর্শকদের পক্ষ থেকে আয়োজকদের কাছে অনুরোধ আসতে থাকে আবার শো আয়োজনের জন্য। কিন্তু পুরো ইউএসএ জুড়ে পূর্বনির্ধারিত শো থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু দর্শক চাহিদা আর উপেক্ষা করা গেল না। দেশে ফিরে যাওয়ার আগের দিন ৩ নভেম্বর নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের বেলাজিনো পার্টি হলে শোটাইম মিউজিক আয়োজন করে নোবেলের ইউএসএ’র শেষ কনসার্ট।
শোটাইমের কর্ণধার আলমগীর খান আলম বলেন- প্রথম শো এর সফলতা পর থেকে দর্শকদের কাছে থেকে অনুরোধ আসতে থাকে পুনরায় শো আয়োজনের জন্য তাই দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই দ্বিতীয় শো আয়োজন করি, তিনি আরো বলেন- দর্শকই আমার সকল শো এর প্রাণ, তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করি কিভাবে? তাই এই আয়োজন।
নোবেলের এই সফরের শেষ কনসার্ট হওয়ায় পুরো কনসার্টে ছিল দর্শক ও নোবেলর জন্য চমক। আগামী ৭ নভেম্বর নোবেলের ২২তম জন্মদিন। মূলত ১০ নভেম্বর নোবেলের ফিরতি ফ্লাইট ছিল কিন্তু নোবেল তার জন্মদিন দেশের গরীব মানেষের সাথে কাটাতে চান, ক্ষুধার্তদের একবেলা পেট ভরে খাওয়াতে চান, তাই তার ফ্লাইট পরিবর্তন করে ৪ নভেম্বর করা হয় যেন তিনি ৭ নভেম্বর দেশে থাকেন। কিন্তু নিউ ইয়র্ক বাসী তার এই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে কনসার্টের মাঝেই জন্মদিন পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। আয়োজক আলমগীর খান আলম এবং ইউএসএ’র সকল কনসার্টের সমন্বয়কারী লিটু আনামের পরিকল্পনায় নোবেলকে চমক দেওয়ার জন্য এই আয়োজন করা হয়। কনসার্টের শেষের দিকে হঠাৎ কেক নিয়ে স্টেজে হাজির হন তারা। সাথে সকল ভক্ত ও স্পন্সর একসাথে গেয়ে ওঠে হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ গানটি। চমকে যায় নোবেল। এসময় নোবেল নিজ হাতে কেক কাটেন এবং সকলকে নিজ হাতে খাওয়ান। সবশেষে নোবেল পুরো কেক লিটু আনামের মুখে লেপটে দেন যেটা ছিল আরো উপভোগ্য।এসময় স্টেজে উপস্থিত ছিলেন  জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী খালিদ।
শো শেষে আয়োজক তার সকল স্পন্সর ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানান। পুরো আমেরিকা সফর সম্পর্কে জানতে চাইলে লিটু আনাম বলেন-“জীবনে অনেক শো দেখেছি, অনেক শো আয়োজন করেছি কিন্তু কোন শিল্পীর শোতে সকল শ্রেনীর শ্রোতা দেখি নাই বা শো শেষে সকলকে সন্তোষ্ট হতে দেখি নাই কিন্তু নোবেলের শো তে দেখেছি। দেখেছি নতুন প্রজন্মকে নোবেলর গান উপভোগ করতে সাথে সাথে দেখেছি ৯০ বছরের বৃদ্ধকে হুইল চেয়ারে এসে নোবেলের গান শুনতে। দেখেছি গান শুনে মুগ্ধ হয়ে নোবেলর জন্য দুহাত তুলো দোয়া করতে। একজন শিল্পীর জন্য এর থেকে বড় আর কি হতে পারে” তিনি সকলের কাছে নোবেলর জন্য দোয়া চান। 

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.