আমিরাতে ৩ ল্যাগেজ সুবিধা ও প্লেনের টিকেট ক্রয়ে জরুরী পরামর্শ

0 12

প্রায় ১০ লক্ষ বাঙ্গালী প্রবাসীর দেশ ইউএসএ। এরা সবাই ছড়িয়ে আছে পরা ইউএসএ জুড়ে। প্রায় প্রতিটি স্টেটেই রয়েছে অসংখ্য বাঙ্গালী। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ প্রতি বছর বিভিন্ন উপলক্ষে স্বদেশের টানে বাংলাদেশে গিয়ে থাকেন। এদের সকলের কাছেই দেশে যাওয়া মানেই বড় দুর্ভোগের। টিকেট কাটা থেকে শুরু করে দেশে ল্যাগেজ কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রবাসীরা হয় ভোগান্তির স্বিকার। তাই প্রবাসীদের এই স্বদেশ যাত্রা কিভাবে সহজ ও আনন্দদায়ক হয় সে বিষয়ে আমরা পরামর্শ চেয়েছিলাম ইউএসবিডি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর সিইও জনাব লিটু আনামের কাছে। লিটু আনাম নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক  সদা হাস্যোজ্জল তরুন ব্যবসায়ী সকলের প্রিয় মুখ।

তিনি জানান, দেশে যাওয়া সত্যি খুব আনন্দের যদি আপনি সবদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখেন। দুটি ক্ষেত্রে সাধারনত সবাইকে ভোগান্তিতে পরতে হয়, এক টিকেট কাটা এবং দুই ঢাকা এয়ারপোর্টে ল্যাগেজ কাটা। তবে সময়ের পরিবর্তনে ঢাকা এয়ারপোর্টে এখন আর ল্যাগেজ কাটা পার্টি নেই, আপনার সকল পণ্য এখন নিরাপদ যদি সেটা বৈধ হয়।ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি ভাড়া করে অনেকেই বিপদে পরেন তাই নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা থাকাই ভাল।প্রয়োজনে আমরা এক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকি। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হল টিকেট কাটা যা এখনও আতংকের। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের টাকা আত্বসাদ করে পালিয়েছেন যার সুষ্ঠ বিচার আজো কেউ পায়নি। অদুর ভবিষ্যতেও যে পালাবে না তার গ্যারান্টি আমি দিতে পারছি না। নিউ ইয়র্কের অলিতে গলিতে যেভাবে সবাই ট্রাভেল এজেন্সি খুলে বসছেন তাতে এই আসংকা আরও বাড়ছে। তিনি বলেন শুধু প্রতিষ্ঠিত নয় বরং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টিকিট কাটুন কার প্রতিষ্ঠিত ওয়াল্ড ওয়াইড সকলের টাকা নিয়ে পালিয়েছে। যদি সম্ঙব হয় তাহলে আপনার ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিট কাটুন এবং ফ্লাইটের এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই কাটুন। আর ক্যাশ টাকা দিয়ে কাটলে বিশ্বস্তজনের বিকল্প নাই।

গত ১ জানুয়ারী থেকে আমিরাত এয়ারলাইনস নতুন পদ্ধতি চালু করে যা গ্রাহক ইচ্ছা করলে দুটি বা তিনটি ল্যাগেজ নিতে পারে । ভাড়ার পার্থক্য মাত্র ৪০ ডলার। গত বছরের এক ল্যাগেজের ভোগান্তি আর নাই। সামান্য ৪০ বাচাতে গিয়ে এয়ারপোর্টে গিয়ে ২৫০ ডলার জরিমানা গুনতে হতে পারে তাই আগেই জেনে নিন আপনার টিকেটে কয়টি ল্যাগেজ। প্রতিটি টিকেট কাটার দুদিন পর এয়ারলাইনসের অনলাইনে গিয়ে বা কস্টমার কেয়ারে ফোন করে টিকেটের বিস্তারিত জেনে নেয়া ভাল। তিনি আরও জানান এসব বিষয়ে সঠিক পরামর্শ চাইলে তার সাথে তথা তার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ইউএসবিডি ট্রাভেলস কেন ব্যতিক্রম সে বিষয়ে তিনি বলেন ২৪ ঘন্টা কস্টমার কেয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে টিকেট কাটার সুবিধা অথবা অনলাইনে www.usbdtravels.com থেকে টিকেট কাটার সুবিধা, প্রকৃত পক্ষে এয়ারলাইল্সে কোন সেল থাকে না জেনেও সারা বছর সামার সেল উইন্টার সেল বিজ্ঞাপন দেই না। এয়ার টিকেট সেল কথাটি মিথ্যা কথা। ফোনে কম বলে যাত্রীদেরকে অফিসে আনার মিথ্যা আশ্রয় নেই না। ফ্লাইটের সময় এবং ল্যাগেজ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা দেওয়াই আমাদের কাজ। টিকেট কাটতে হবে না, সুস্পষ্ট ধারনা ও সঠিক গাইড লাইনের জন্য হলেও আমাদেরকে ফোন করতে পারেন। এছাড়া আমাদের কিছু স্পশাল সার্ভিস রয়েছে, ওমরাহ হজ্জ্ব পালনে আমরা সকল ধরনের সহযোগীতা করে থাকি। বিভন্ন ধরনের ক্রুজ ও হোটেল বুকিং এব ক্ষেত্রেও আমরা সাহায্য করে থাকি। তিনি ইউএসএ তে বসবাসরত সকল বাঙালীদের কে বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.