নিজের মূল্য বোঝাতে কেন মরতে হবে, প্রশ্ন জারিনের

0 7
বিনোদন ডেস্ক : বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু বেশ কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে বি-টাউনকে। তারকাদের অনেকেই একে ঘিরে তাদের মতামত তুলে ধরছেন। বলিউড অভিনেত্রী জারিন খানও এবার কথা বললেন এই ইস্যু নিয়ে। তবে নিজের স্বাতন্ত্র্য বেশ ভালোভাবেই তুলে ধরেছেন তিনি। সবার প্রশ্ন যেখানে ‘কেন’ শব্দটির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, সেখানে ঘটনার নেপথ্যের কারণ বুঝতে চেয়েছেন জারিন।
ভারতের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বলিউড বাবলের প্রতিবেদনে জানা যায়, সুশান্ত সিং রাজপুতের দুর্ভাগ্যজনক ও অকালমৃত্যু শুধু বিনোদন অঙ্গন নয়, ভারতের প্রত্যেককে বেশ নাড়িয়ে দিয়েছে। তরুণ এই অভিনেতার মৃত্যু এবং এর পরিণতি সম্পর্কে জারিন বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছেন, যা পুরো বিনোদন অঙ্গনকে আলোড়িত করেছে।
মাইক্রো-ব্লগিং সাইট টুইটারে করা পোস্টে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন জারিন। “আমার মাথায় বেশ কিছু ‘কেন’ ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজের মূল্য দুনিয়াকে বোঝাতে কেন একজনকে মরতে হবে? মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির যেভাবে প্রশংসা করা হয়, বেঁচে থাকা অবস্থায় কেন করা হয় না সেভাবে? যাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে যেখানে কারো কোনো ধারণা নেই, সেখানে তাঁর মৃত্যুর পর সবার কেন মন্তব্য ও মতামত দিতে হবে? কাউকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলার মতো প্রতিভাবান কেন হতে হবে?,” পোস্টে লেখেন জারিন।
২০১৪ সালে ‘কাই পো চে’র মাধ্যমে ছবিতে অভিষেক হয় সুশান্তের। এর পরে তিনি ‘পিকে’, ‘কেদারনাথ’, ‘এম এস ধোনি : দ্য আনটোল্ড জার্নি’র মতো জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন। তাঁকে সর্বশেষ নেটফ্লিক্সের ‘ড্রাইভ’-এ দেখা গিয়েছিল। টেলিভিশন চ্যানেল জি টিভির সিরিয়াল ‘পবিত্র রিশতা’র মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় তাঁর।
১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি পটনায় জন্মগ্রহণ করেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত। পরে দিল্লিতে চলে যায় তাঁর পরিবার। দিল্লি কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও ভর্তি হন। কিন্তু সেই সময় থেকে থিয়েটারের দিকে ঝোঁকেন তিনি। নাচও শেখেন। তার জন্য পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।
অভিনয়ের তাগিদ থেকেই শেষমেশ মুম্বাইয়ে চলে যান সুশান্ত। সেখানে ২০০৮ সালে প্রথম একতা কাপুরের প্রযোজনায় ‘কিস দেশ মে হ্যাঁ মেরা দিল’ সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ পান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.